রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান

 

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান সম্পর্কে যদি আপনি জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। রাজশাহীতে বর্তমানে অনেক বেকারী দোকান দেখা যায়। তবে এগুলোর মধ্যে মজাদার খাবার যেখানে পাওয়া যায় সেটি সম্পর্কে জানতে হলে পুরো পোস্টটি আপনাকে পড়তে হবে। 

রাজশাহী-শহরের-সবচেয়ে-মজাদার-খাবার-দোকান

আপনি যদি ফুড লাভার হয়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই আপনার বেকারি দোকান সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। তা যদি নাও থেকে থাকে, তাহলেও আপনি এই পোস্টটিতে সবগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। আশা করছি এটি আপনার জীবনে কাজে দিবে। চলুন তবে শুরু করা যাক।

পোস্ট সূচিপত্রঃ রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান

পরিচ্ছন্ন একটি শহর রাজশাহী। যে শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে একটি নদী। এই ছোট্ট শহরটিতে যেমন রয়েছে অপরূপ সৌন্দর্য তেমনি এর ঐতিহ্য। বাংলাদেশের একমাত্র পরিচ্ছন্ন শহর এই রাজশাহী। এই শহরের মানুষজন যেমন সুন্দর তেমনি এই শহরের খাবারের মধ্যেও রয়েছে বৈচিত্র্যতা।

আপনি যদি রাজশাহীতে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন! অথবা কোন কাজেই যদি যান! তাহলে আপনার উচিত হবে একবার হলেও শহরটিকে ঘুরে দেখা। কেন না এই শহর মানুষের মন ভালো করে দিতে পারে। তার সাথে রয়েছে এই শহরের বিখ্যাত খাবার গুলো, যেগুলো না খেলে তা আপনি অন্য কোথাও পাবেন না।

বর্তমানে দিনে দিনে খাদ্যপ্রেমী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই জন্য দেখা যায় যেখানে সেখানে অলিতে গলিতে বিভিন্ন নামিদামি রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি দেখা যায় মানুষের উপচে পড়া ভিড়। আগে যেভাবে মানুষ শহরমুখী হত বর্তমানে তার পরিমাণ অনেক বেশি। আর সেই কারণে মানুষের বাইরে খাদ্যাভ্যাস দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এগুলোর মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেখা যায় শহরের অলিতে গলিতে বিভিন্ন কোচিং প্রাইভেট হওয়াতে, শিক্ষার্থীরা আশেপাশের বাইরের খাবার বেশি খায়। যার কারণে আশে পাশে বিভিন্ন খাবার হোটেল তৈরি হয়। এগুলো একদিক দিয়ে যেমন অস্বাস্থ্যকর, তেমনি অর্থের অপচয়। কিন্তু মানুষ তার জিহ্বাকে কন্ট্রোল করতে পারে না।

ফলে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাবার বাইরে খেতে খেতে শরীরের মেদ জমতে থাকে এবং স্বাস্থ্যের অবনতিও ঘটতে পারে। বাইরে নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে মানুষের অলসতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ আশেপাশের সব জায়গায় বিভিন্ন খাবার হোটেল থাকায় রান্না করার প্রবণতা কমে যাচ্ছে।

এগুলোর মধ্যেও বেশ কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো রাজশাহী শহরে অনেক বিখ্যাত। বেশ কিছু দোকান রয়েছে যারা খাবারগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে উপস্থাপন করে। আবার অনেক দোকানে রয়েছে যারা নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি করে। তাই আপনার উচিত হবে জেনে শুনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মজাদার খাবার খাওয়া। 

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান জানতে হলে আগে জানতে হবে যে রাজশাহীতে কি ধরনের খাবার পাওয়া যায়। এ শহরের মানুষজন শান্তি প্রিয় হওয়ায় তারা কিছুটা অলস প্রজাতির। তারা পছন্দ করেনা হৈচৈ, করে না কোন গন্ডগোল। এ শহরের মানুষজন পছন্দ করে শুয়ে বসে আরামে কাটাতে।

এই শহরে বেশ কিছু মজার মজার খাবার পাওয়া যায়। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিখ্যাত কালাই রুটি ও বেগুন ভর্তা, পুরি ও মিষ্টি, গরুর মাংসের কালা ভুনা, জিলাপি, বট পরোটা , গ্রিল নান ইত্যাদি। খাবারগুলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে এক একটি খাবার একেক দিক দিয়ে মজাদার। এগুলো তৈরি করাও যেমন বৈচিত্র্যময় তেমনি এগুলো সাধেও রয়েছে ভিন্নতা।

রাজশাহী শহরের এসব মজাদার খাবার গুলো যেসব দোকানে পাওয়া যায় সেগুলো হলঃ প্রথমে রাজশাহী কালাই ঘর, যেখানে গরম গরম কালাই রুটি , সাথে ধোঁয়া ওঠা গরম গরম বেগুন ভর্তা এবং হাঁসের মাংস পরিবেশন করা হয়। তবে এর সাথে পাওয়া যায় একটি বিশেষ ধরনের মরিচ ভর্তা, যা কালাই রুটির স্বাদকে দ্বিগুণ করে তোলে।

এর পরে আসি রানা মিষ্টান্ন ভান্ডার। এটি রাজশাহী শহরের সিএনবি মোরে অবস্থিত। এই দোকানটিতে পাওয়া যায় গরম গরম পুরি এবং গরম গরম মিষ্টি। যারা স্বাদে অতুলনীয় । একসাথে পুড়ি এবং মিষ্টি নামটি একটি অন্যরকম সোনালেও এটি আসলে খেতে দারুন। এই পুরি এবং মিষ্টি খাওয়ার জন্য মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো সিটি হাটের কালা ভুনা এবং কাটাখালির কালা ভুনা। এই দুই জায়গার কালা ভুনার রাজশাহী শহরের মধ্যে সবচেয়ে মজাদার হয়ে থাকে। কালাভুনা রান্না করতে অনেক সময় লেগে থাকে। গরুর মাংস আগুনের তাপে অনেক সময় ধরে জাল করে করে বিশেষ মসলা দিয়ে এটিকে রান্না করা হয়।

বাটার মোড়ের জিলাপিরাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান এর মধ্যে অন্যতম। এই দোকানটিতে শুধু জিলাপি নয় বরং আরো মিষ্টি জাতীয় খাবারও পাওয়া যায়। তবে এটি শুধুমাত্র জিলাপির জন্যই বিখ্যাত । কারণ এদের জিলাপি বানানোর ধরণী আলাদা। এই জিলাপির স্বাদ কিছুটা অন্যরকম এই জিলাপির খাওয়ার জন্য মানুষজন লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। 

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান গুলোর মধ্যে জামিলের দোকান বেশ বিখ্যাত বট এবং পরোটার জন্য । রাজশাহী শহরের বিভিন্ন স্ট্রীট মার্কেটে বট পরোটা পাওয়া গেলেও এখানকার বট পরোটা বিখ্যাত । এটি রাজশাহী শহরের তালাইমারি মোরে অবস্থিত। 

এগুলোর বাইরে ও আপনি যদি ডেজার্ট লাভার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রয়েছে এমন একটি দোকানের সুখবর যা আপনাকে চমকে দিবে।রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান ওগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুড মঞ্জিল। এটি অবস্থিত কাদিরগঞ্জ গ্রেটার রোড মসজিদের কাছে। এই দোকানটি ডেজার্ট এর জন্য বিখ্যাত।

রাজশাহী-শহরের-সবচেয়ে-মজাদার-খাবার-দোকান

এছাড়াও এই শহরে একটি দোকান রয়েছে যেটির নাম বিদ্যুৎ হোটেল। এই হোটেলের শিক কাবাব জনপ্রিয়। এছাড়াও সুখী রান্না ঘরের লুচি আলুর দম মজাদার হয়ে থাকে। রাজশাহী নিউমার্কেটে পুরি বার্গার খাওয়ার জন্য আগে মানুষ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতো। 

রাজশাহীর বিখ্যাত খাবার গুলো

আপনি যদি রাজশাহী এসে থাকেন এবং এই খাবারগুলো না খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য খুবই আফসোসের বিষয়! কেননা রাজশাহীর বিখ্যাত খাবার গুলো এ দেশের অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। এই খাবারগুলো একবার হলেও আপনার খাওয়া উচিত।

প্রথমেই চলুন কালাই রুটির কাছে। এ শহরের কালার রুটি বেশ বিখ্যাত এবং জনপ্রিয়। এটি দেশের আর কোথাও পাওয়া যায় না। কালাই রুটি তৈরি করা হয় মাসকলাইট ডাল দিয়ে। এটি খাওয়া হয় ধনেপাতার চাটনি , বেগুন ভর্তা এবং হাঁসের মাংস দিয়ে। এটি শুধু চাটনি দিয়েও খেতে খুবই মজাদার হয়ে থাকে। দোকানে একটি কালার দাম ২৫ টাকা হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু দোকানে এর দাম আলাদা হতে পারে। এটি সকালের নাস্তায় অথবা রাতের খাবারে খাওয়া হয়ে থাকে।

শহরের রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় কালাই রুটি পাওয়া যায়। বিশেষ করে একটি শীতকালে মানুষ বেশি খেয়ে থাকে। , ধোঁয়া ওঠা গরম গরম কালাই রুটি সাথে গরম গরম বেগুন ভর্তা যেন জমে যায় একদম! আপনি যদি না খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য বড়ই আফসোস!

এরপরে রাজশাহী শহরের সিএনবি মোড়ের বিখ্যাত রানা মিষ্টি ঘরের পুরী এবং মিষ্টি। এটি খাওয়ার জন্য লোকেরা দূর দূরান্ত থেকে রাজশাহী শহরে এসে ভিড় করে। এখানকার গরম গরম পুরি এবং গরম গরম মিষ্টি বেশ বিখ্যাত। একটি পুরির দাম ১০ টাকায় এবং একটি মিষ্টির দাম ১৫ টাকা এবং সেই গরম গরম মিষ্টি প্রতি কেজি ২০০ টাকা । 

এরপরেই যাওয়া যাক রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান অলকার মোড়ের জিলাপি। এটি তৈরি করা হয় ভিন্নভাবে। এটির স্বাদও অন্যান্য সাধারন জিলাপি থেকে কিছুটা ভিন্ন । এটি স্বাদে এত অতুলনীয় যে এটি খাওয়ার জন্য মানুষজন লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। প্রতি কেজি জিলাপি ৪০০ টাকা করে পাওয়া যায়। গরম গরম জিলাপি খেতে খুবই মচমচে এবং সুস্বাদু ।

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান এর মধ্যে অন্যতম আরেকটি হলো কাটাখালির কালা ভুনা। কালা ভুনার আছে এদের খুবই বিখ্যাত একটি খাবার। এটি তৈরি করা হয় গরুর মাংস দিয়ে । গরুর মাংস কে মসলা মাখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা হয় এবং এতে দেওয়া হয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ মসলা যা এর স্বাদকে আরো অতুলনীয় করে তুলে। এটি রান্না করতে করতে এক পর্যায়ে কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে যায়। এটি খেতে এতই মজা যে অন্যান্য শহরে এবং অন্যান্য জেলার মানুষজন কালা ভুনা খেতে রাজশাহীতে আসে।
এর পরে আসা যাক তালাইমারি মোড়ের বট পরোটা। রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান গুলোর মধ্যে জামিলের দোকানের বট পরোটা অনেক বিখ্যাত। বট হল মূলত গরুর ভুরি যেটি রান্না করা হয় বিভিন্ন মসলা মিশিয়ে। একপর্যায়ে সেটি ভাজা ভাজা হয়ে গেলে সেটিকে পরোটা দিয়ে খাওয়ার জন্য উপযুক্ত করা হয়। এক বাটি বটের দাম ৫০ টাকা হয়ে থাকে এবং একটি পরোটার দাম ১০ টাকা হয় । পরোটা দিয়ে গরম গরম বট খেতে খুবই মজা হয়। 

এই বারে আসি রাজশাহীর জিরো পয়েন্টে অবস্থিত নিউ বিদ্যুৎ হোটেলের শিক কাবাব এর কাছে। এই হোটেলের শিক কাবাব খুবই বিখ্যাত রাজশাহীর অনেক মানুষ এই হোটেলের শিক কাবাব অনেক পছন্দ করে । এছাড়াও এই হোটেলের অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো মানুষ অনেক পছন্দ করে সেগুলো হলো গ্রিল এবং নান রুটি , চিকেন চাপ , মোগলাই পরোটা ইত্যাদি। 

এছাড়াও রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান গুলোর মধ্যে অন্যতম আরেকটি হলো সিএনবি মোড়ের চা । এর জন্য সিএনবি মোর বেশ বিখ্যাত। এখানে শিক্ষার্থীরা বেশি ঘুরতে যেয়ে থাকে এবং সেখানকার চা খেয়ে থাকে । এখানকার লেবু চা, মসলা চা , মালাই চা এগুলো বিখ্যাত। তবে এখন পোড়া রুটি এবং মালাই চা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। 

আর রাজশাহীর গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা, আর ডি এ মার্কেটের সামনে সিড়ির নিচে রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান গুলোর মধ্যে একটি পাওয়া যায় সেটি হল ভেলপুরির দোকান। সেটি একটি দোকান নয় বরং একটি ছোট্ট জায়গা জুড়ে অবস্থান করে । এই দোকানের ভেলপুরি খুবই মজা। এখানে প্রতি প্লেট ভেলপুরের দাম ৬০ টাকা । 

এবারে আসি আমার খুবই পছন্দের ডেজার্ট এর দিকে। রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান এর মধ্যে ফুড মঞ্জিল অন্যতম। এটি অবস্থান করে রাজশাহী কাদেরগঞ্জ গ্রেটার রোড মসজিদের সামনে। এই দোকানটিতে হোমমেড সকল ধরনের খাবার পাওয়া যায়। যেমনঃ মিষ্টি, কেক, রোল, স্যান্ডউইচ, দই , পপকর্ন , ইত্যাদি। এই দোকানের খাবারগুলো খুবই মানসম্মত এবং মজাদার হয়ে থাকে। 

বাংলাদেশের সবচেয়ে মজাদার ডেজার্ট আইটেম

বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দেশ হলেও এটি বৈচিত্র্যময় দিক দিয়ে সবচেয়ে উন্নত। এই দেশে ঐতিহ্যবাহী অনেক জিনিস রয়েছে যেগুলো এই দেশটিকে অন্যান্য দেশগুলোর চাইতে মর্যাদা দিতে উন্নত করেছে। এদেশের ঐতিহ্যবাহী অনেক খাবার রয়েছে।  

বাংলাদেশে অনেক বেশি মিষ্টি প্রেমী হয়ে থাকে।এদেশের মানুষজনের প্রিয় খাবার মিষ্টি।  যেকোনো দাওয়াত অনুষ্ঠানে মানুষজন খাবার শেষে  মিষ্টি পরিবেশন করে থাকে। এদেশের বাঙালিরা মাছ ভাতে বাঙালি হলে পরিচিত হলেও এদের মিষ্টির প্রতি একটি আলাদা টান কাজ করে। 

বাংলাদেশের ডেজার্ট  আইটেমগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো পানতোয়া, রসমালাই, রসগোল্লা, ছানার পায়েস, ছানার জিলাপি, দুধের পায়েস, দই চিড়া,দই, ফিরনি ইত্যাদি।  এগুলো বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিজাতীয় খাবার। এই খাবারগুলো যেকোন দাওয়াতে বা অনুষ্ঠানে খাবার শেষে পরিবেশন করা হয়ে থাকে।

বেকারি দোকানগুলোতে কি কি পাওয়া যায়

যে দোকানগুলোতে বিস্কিট, মিষ্টি- মন্ডা জাতীয় খাবার তৈরি করা হয়ে থাকে মূলত বেকারি দোকান বলা হয়।আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ এখান থেকে খাবার খেয়ে থাকে। এখানে মূলত বাসা থেকে খাবার রান্না করে এনে বিক্রি করা হয় ।এই খাবারগুলো  মূলত নাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাসায় আত্মীয় স্বজন বা মেহমান আসলে এগুলো নাস্তা হিসেবে দেওয়া হয়।

এই দোকানগুলোতে বিভিন্ন ধরনের খাবার বিক্রি করা হয়ে থাকে।  এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো:বিস্কুট, কেক, মিষ্টি, পাউরুটি, দই ইত্যাদি। এগুলো বেশিরভাগই মিষ্টি স্বাদ যুক্ত হয়ে থাকে। 

বেকারি দোকানগুলো বাংলাদেশে অনেক বেশি রয়েছে। বেশিরভাগ দোকানেই একই ধরনের জিনিস বিক্রি করা হয়। তবে বেশিরভাগ বেকারি দোকানেই পেস্ট্রি কেক বিক্রি হয়ে থাকে৷ এগুলো বিভিন্ন স্বাদের হয়ে থাকে। যদিও এগুলো আমাদের দেশের ঐতিহ্য না। 

রাজশাহীতে বেস্ট বেকারি আইটেম

রাজশাহী হলো বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিচ্ছন্ন একটি শহর। এই শহরের মানুষের জীবনযাত্রা খুবই সাধারণ।এ শহরের মানুষজন শান্তিপ্রিয় হয়ে থাকে।এই শহরের মানুষজন মিষ্টি খুব পছন্দ করে থাকে। যার কারণে এই শহরের আনাচে কানাচে দেখা যায় অনেক বেকারী দোকান৷ 

রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকানগুলোর মধ্যে বেকারী দোকানগুলো অন্যতম। এই শহরের বেকারীগুলোতে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবার পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে কেক প্রতিটি মানুষের সবচেয়ে পছন্দের।  আপনিও নিশ্চয় পছন্দ করে থাকবেন!  

এই শহরের মজাদার বেশ কিছু খাবারের দোকান রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে পূর্বেই বর্ণনা করা হয়েছে। প্রিয় পাঠক! আপনি যদি এইসব মজাদার খাবারগুলো খেতে চান তাহলে দেরি না করে চলে আসুন সুন্দর রাজশাহী শহরে।এই শহরকে ঘুরে দেখুন এবং বিভিন্ন মজার মজার খাবার ট্রাই করুন৷ 

যে খাবারগুলো রাজশাহীতে না খেলেই মিস 

কেমন হতো! যদি আপনার সবগুলো পছন্দের খাবার চাওয়া মাত্রই আপনার সামনে হাজির হতো! ভাবতেই ভালো লাগে, তাই না?আসলেই এখন খাবার সামনে চাইলেই পাওয়া যায় রাজশাহী শহরের সবচেয়ে মজাদার খাবার দোকান গুলোতে বিভিন্ন ধরনের মজাদার খাবার পাওয়া যায়৷ 

রাজশাহীতে পাওয়া যায় এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো না খেলে আপনি মিস করবেন৷ এগুলো খাওয়ার জন্য আপনার একবার হলেও রাজশাহীতে আসা উচিত। রাজশাহীর এমন কিছু বিখ্যাত খাবারগুলো হলো: জিরো পয়েন্টের বিদ্যুৎ হোটেলের শিক কাবাব, নিউ মার্কেটেের পুরি বার্গার, বাটার মোড়ের জিলাপি, জিরো পয়েন্টের কালাই রুটি ইত্যাদি।  

রাজশাহী-শহরের-সবচেয়ে-মজাদার-খাবার-দোকান

এই খাবারগুলো না খেলে আপনি অবশ্যই মিস করবেন।তাই দেরী না করে চলে আসুন শান্তির শহর রাজশাহীতে। যেখানে আপনি পাবেন মুক্ত বাতাস ও শান্তি।  যেখানে প্রতিটি বৃক্ষ,  প্রতিটি পাখি মুক্তির গান গায়। 

শেষকথাঃ

বিশ্বের প্রতিটি মানুষ খাদ্যের দিক দিয়ে কিছুটা খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়ে থাকে৷প্রতিটি মানুষ তার পছন্দ মতো খাবার খেতে চায়। সেইদিক দিয়ে আপনি নিজের কথাই চিন্তা করুন! কখনো যদি দেখেন যে আপনার পছন্দের কোনো খাবার নেই,  তখন একটু বিরক্ত লাগে না? আসলেই! এটি হওয়ার মতোই৷ 

বাংলাদেশের প্রতিটি শহরের খাবার দাবারের পদ্ধতি আলাদা। প্রতিটি শহরের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে এবং রয়েছে তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার। প্রতিটি দেশের এবং প্রতিটি শহরের ঐতিহ্যকে আমাদের সম্মান জানানো উচিত।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abir Hossain
Md. Abir Hossain
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির সিনিয়র সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।