বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে
বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে তা সম্পর্কে যদি আপনি জানতে চেয়ে থাকেন তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন। প্রিয় পাঠক! আপনি যদি সচেতন হয়ে থাকেন তাহলে এটি আপনার অবশ্যই জানা প্রয়োজন।
প্রিয় পাঠক! আপনার কি সারারাত ঘুম হয় না এবং সারাদিন ঘুম পায়? অথবা আপনি কি দিন রাতে অনেক বেশি সময় ঘুমান? বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে তা সম্পর্কে যদি আপনি জানতেন তাহলে হয়তো এমনটা হতো না। আশা করছি এই লিখাটি পড়লে আপনি বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন৷ চলুন তবে শুরু করা যাক।
পোস্ট সূচীপত্রঃ বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে
- বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে
- ঘুম আসার কারণ কি
- সারাদিন রাত না ঘুমালে কি হবে
- একজন মানুষের সারাদিনে কতটুকু সময় ঘুমানো উচিত
- কতদিন না ঘুমিয়ে কাটানো যায়
- ঘুম কাটানো যায় যা যা করলে
- ঘুমের জন্য সঠিক সময় কোনটি
বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে
আপনি কি একজন ঘুমপ্রেমী মানুষ? আপনার কি সারাদিনে অনেক ঘুম হয়? নাকি সারাদিনে আপনি অনেক ঘুমাতে চাইলেও ঘুমাতে পারেন না? এগুলোর যেকোনো সমস্যাই হোক না কেন, সমাধান পেতে হলে পুরো পোস্টটি পড়তে থাকুন ৷
একজন মানুষের জন্য ঘুম খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। কেননা মানুষের শরীর যেকোনো সময় আরাম করতে পারলেও ঘুম ছাড়া মানুষের মস্তিষ্ক আরাম করতে পারে না। ঘুমই মস্তিষ্কের আরামের কারণ। ঘুম না হলে মস্তিষ্ক সব সময় জেগে থাকবে।
যেহেতু মানুষের শরীর পরিচালনা করার জন্য মস্তিষ্ক সবসময়ই সচল থাকে তাই মস্তিষ্ক সহজে আরাম করতে পারে না। আর মস্তিষ্ক সব সময় সচল থাকলে মানুষের ক্লান্তি দূর হয় না। যেহেতু মানুষসহ সকল প্রাণীর শরীরে ক্লান্তি আসে, তেমনি সকলের সেই ক্লান্তি দূর করার জন্য প্রয়োজন ঘুমের।
ঘুৃম ছাড়া একটি মানুষের জীবনধারণ করা খুবই কঠিন ব্যপার। মানুষ তার মস্তিষ্ককে সচল রেখে কখনোই শারীরিক এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সক্ষম হবে না। তাই তার ঘুমের প্রয়োজন। আপনি যদি মনে করেন যে আপনি সারা দিন রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিবেন, তাহলে ভুল করছেন!
মানুষের সারাদিনের কঠোর পরিশ্রম করার ফলে শরীর ও ব্রেইন ক্লান্ত হয়ে যায়। যেহেতু আমাদের চোখ ও সব সময় কাজ করে সুতরাং চোখেরও আরাম করার বিষয় রয়েছে। শরীর ক্লান্ত থাকলে চোখ নিজে থেকেই চায় বন্ধ হয়ে থাকতে। আর এই চোখ বন্ধ থাকলে ব্রেইন ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে ঘুম আসে।
আচ্ছা!আপনার মনে প্রশ্ন আসে না? কেন মানুষ রাতেই বেশি ঘুমায়? ঘুমের জন্য রাতই সবচেয়ে ভালো। কারণ এই সময় অন্ধকার এবং নিশ্চুপ থাকায় সবচেয়ে ভালো ঘুম হয়। এই সময় ঘুমালে শরীরের সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। আর মানুষের শরীরের ক্লান্তি দূর না করলে মানুষ বেশিদিন বাঁচতে পারবে না।
আমরা যা করে থাকি তার প্রতিটি জিনিসেরই একটি পরিমাপ থাকে। যতটুকু আমাদের শরীরের জন্য ভালো আমাদের ততোটুকুই করা উচিত। কেননা সব কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়৷ ঘুম ও তেমনি একটি জিনিস৷ এটিরও কিছু নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট পরিমাপ রয়েছে যতটুকু আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।
বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে সেগুলো জানা আমাদের সকলের জন্যই খুবই জরুরি। কারণ আমরা মানুষ হিসেবে সকলকেই আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত। চলুন তবে জেনে নিই বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারেঃ
- প্রথমত অতিরিক্ত ঘুম মানুষকে অলস করে তোলে। আপনি নিজেই দেখবেন! আপনি যদি কোনোদিন বেশি ঘুমান, তাহলে আপনার মন আর কোনো কাজ করতে চায়না এবং মনে হয় সারাদিন শুয়েই থাকি৷ কি? তাই তো?
- দ্বিতীয়ত অতিরিক্ত ঘুমের কারণে মানুষের শরীরে মেদ জমতে থাকে অর্থাৎ মানুষ স্হূলকায় হয়ে যায়। তবে কিছু মানুষ সারাদিন খেলে ও সারাদিন ঘুমালেও মোটা হয় না৷ কিন্তু সাধারণত বেশি ঘুম মানুষকে মোটা করে তোলে ৷
- তৃতীয়ত বেশি ঘুমালে মানুষের স্মৃতিশক্তি দূর্বল হয়ে পড়ে। দেখা যায় যে,মস্তিষ্ককে বেশি সময় রেস্ট করানোর ফলে এটি তার স্বাভাবিক কার্যক্রম আর আগের মতো করতে পারে না। মানুষ বেশি ঘুমানোর কারণে সব কিছু মনে রাখতে পারে না৷
- চতুর্থত বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে সেগুলোর মধ্যে একটি হলো সৌন্দর্য কমে যাওয়া। বেশি ঘুমালে মানুষের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। ত্বক সুন্দর রাখতে হলে সঠিক সময়ে এবং সঠিক পরিমাপে ঘুমের প্রয়োজন।এছাড়াও বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে সেগুলোর পরিমাণ আারও রয়েছে।
ঘুম আসার কারণ কি
ঘুম যে সকলের সবসময়ই আসে এমনটা নয়! দেখা যায় কেউ শুতে গেলে সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়ে! আাবার কেউ বিছানায় শুয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা চলে যায়, কিন্তু ঘুম আর আসে না। ঘুম আসলে একটি আল্লাহর দেয়া নিয়ামত৷
ঘুম মানুষের জন্য খুবই স্বাভাবিক এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। একজন মানুষ দীর্ঘদিন ঘুম ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে না৷ ঘুম তার জন্য একটা থেরাপীর মতো৷ ঘুম আসা যেমন স্বাভাবিক তেমনি ঘুম অনেক সময় না আসাও স্বাভাবিক। এইখানে জানতে পারবেন, ঘুম কেন আসে?
স্বাভাবিকভাবেই আপনর মনে প্রশ্ন আসতে পারে, ঘুম কেন আসে? ঘুম না আসলে কি হতো? সারাদিন রাত আমরা কি করতাম? একটু থামুন! উত্তর জানতে হলে পড়তে থাকুন৷ নিশ্চয়ই আপন উপকৃত হবেন।
বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে সেটি জানতে হলে এই বিষয়টিও আমাদের জানা জরুরি যে, ঘুম আসেই বা কেন? এর কারণ কি? চলুন জেনে নিই এর বিস্তারিত।
ঘুম আসার জন্য আমদের মস্তিষ্কে নিঃসৃত একটি রাসায়নিক পদার্থ দায়ী যেটি হলো নিসলস গ্যানিউলস। বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে এটি জানতে পেরেছেন৷ সারাদিন পরিশ্রম করলে আমাদের শরীরে অনেক পরিমাণে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমা হয়৷ এই এসিড জমা থাকলে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়।
আমাদের শরীরের ক্লান্তি দূর করে কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য শরীরের এই জমাকৃত ল্যাকটিক এসিড দূর করা প্রয়োজন। আর এই কাজটি করতে পারে মস্তিষ্কে নিঃসৃত নিসলস গ্যানিউলস নামক রাসায়নিক পদার্থটি। আমাদের শরীরে জমাকৃত ল্যাকটিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে মস্তিষ্ক অটোমেটিক এই রাসায়নিক পদার্থটি নিঃসরণ করতে থাকে, যার ফলে আমাদের ঘুম পায়।
সারাদিন রাত না ঘুমালে কি হবে
বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে তা জানতে হলে আমাদের এই বিষয়টিও জানা প্রয়োজন। কিছু মানুষকে দেখা যায় অফিস আদালত বা ক্লাসে বসেও ঘুমিয়ে পড়ে। আবার কিছু মানুষ রয়েছে যারা ঘরে এসি লাগিয়ে নরম বিছানায় ঘুমিয়েও চোখে ঘুম আসে না৷ ঘুম একটি রহমত৷
যাদের সারা দিন রাত ঘুম হয়না তারা অনেক কষ্টে জীবনযাপম করতে হয়। কেননা ঘুম ছাড়া বেঁচে থাকা অনেক কঠিন৷ সারাদিন রাত না ঘুমালে যেসব হতে পারে সেগুলো হলোঃ
- মাথা কাজ না করা
- মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া
- চোখ জ্বালাপোড়া করা
- মাথা ব্যথা করা ইত্যাদি।
একজন মানুষের সারাদিনে কতটুকু সময় ঘুমানো উচিত
একজন মানুষের সারাদিনে কতটুকু সময় ঘুমানো উচিত এটি জানা প্রতিটি মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার খাবার খাওয়া বলে যদি আপনি সারাদিন শুধু খাবারই খেতে থাকেন তাহলে অবশ্যই এটি আপনার উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করবে। তাই নয় কি?
ঠিক তেমনই ঘুমেরও একটি নির্দিষ্ট পরিমাপ রয়েছে যার বাইরে গেলে এটি উপকারের চেয়ে ক্ষতি করতে পারতে। তাই প্রতিটি মানুষের সেই মাপদন্ড মেনে চলার চেষ্টা করা উচিত৷ এতে মানুষের শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে। ঘুমানোর জন্য প্রয়োজন একটা সুন্দর ও আরামদায়ক পরিবেশ৷ তাহলে ঘুম হবে সুন্দর।
একজন শিশুর ঘুম আর একজন প্রাপ্তবয়স্কের ঘুমের পরিমাপ নিশ্চয়ই একই হবে না। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। অন্যদিকে একটি শিশুর জন্য এটি ৮/৯ ঘন্টা।গবেষনায় প্রমাণিত প্রতিদিন একটি মানুষ ৬ ঘন্টা করে ঘুমালে তার স্বাস্থ্য সবচেয়ে বেশি ভালো থাকে।
কতদিন না ঘুমিয়ে কাটানো যায়
মানুষ পাগল হয় কেন? আপনি কি কখনো ভেবেছেন? এর পেছনে ঘুম দায়ী হতেও পারে। দীর্ঘ সময় মানুষ না ঘুমালে তার পাগল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই নিজে সাবধান হোন এবং অন্যদেরও সাবধান করুন। প্রয়োজন মতো ঘুমান, এতে শরীর ু মন ভালো থাকবে।
মানুষের মনে চিন্তা আসে কতদিন না ঘুমিয়ে কাটানো যায়? একটানা কতদিন জেগে থাকা সম্ভব? আপনার মনেও নিশ্চয় এই প্রশ্ন একবার হলেও কখনো এসেছে! চলুন তাহলে জেনে নিই মানুষ একটানা কতূিন না ঘুমিয়ে কাটাতে পারে।
মানুষ মরণশীল জীব। প্রতিটি মানুষকেই একটা সময়ে মৃত্যুর স্বাদ উপলব্ধি করতে হবে৷ তবে দ্রুত মৃত্যুবরণ করতে কেই বা চায়? তবে বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে তা জানা তাই একটি মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।কেননা এটির কারণে অনেক মানুষের অকাল মৃত্যু হয়ে থাকে৷
মানুষ একটানা ৪-৫ দিন মতো জেগে থাকতে পারে। তবে এটি অনেক মানুষের ক্ষেত্রে আলাদা। তবে দেখা যায় মানুষ একটানা ২ দিন না ঘুমিয়ে কোনো সমস্যা ছাড়াই থাকতে পারে৷ কিন্তু এর পরে জেগে থাকা তার জন্য কষ্টকর হয়। জেগে থাকার জন্য তখন বিভিন্ন বুদ্ধির আশ্রয় নিতে হয়।
জেগে থেকে বেঁচে থাকা গেলেও এমনটি করা কোনো মানুষেরই উচিত নয়। কারণ এতে আমাদের দৈহিক কার্যক্ষমতা ব্যহত হয়। আমাদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে হলে সঠিক সময়ে এবং সঠিক পরিমাপে ঘুমানো উচিত।
ঘুম কাটানো যায় যা যা করলে
আপনার কি অফিস, আদালত বা ক্লাসে বসে খুব ঘুম পায়? মানুষের সামনে বড় বড় হাই তুলে লজ্জায় পড়েন? আর নয় চিন্তা! আপনি এখন জানতে পারবেন যে কিভাবে আপনি আপনার এতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘুম কটাতে পারবেন। আশা করছি এটি আপনার জন্য উপকার বয়ে নিয়ে আসবে। চলুন তবে জেনে নিই।
ঘুম আল্লাহর দেওয়া একটি বড় নিয়ামত। ঘুম না থাকলে আমাদের শরীর হয়তো খুব দ্রুতই অকেজো হয়ে যেতো৷ শরীর সুস্থ রাখতে যেমন খুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম তেমনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঘুম পেলে সেটি কাটানোও প্রয়োজন৷ ঘুম কাটাতে হলে যা যা করা যেতে পারে তা হলোঃ
- চোখ মুখ পানি দিয়ে ধৌত করা
- পানি পান করা
- দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা
- চুইংগাম জাতীয় খাবার চিবানো
- সম্ভব হলে গোসল করা ইত্যাদি।
এই কাজগুলো করলে ঘুমের হাত থেকে সাময়িক নিস্তার পাওয়া যায়। তবে সব সময় ঘুম পেলেই সেটি কাটানো ঠিক নয়। ঘুমের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় রাখা উচিত এবং সে অনুযায়ী অভ্যাস করা উচিত।
ঘুমের জন্য সঠিক সময় কোনটি
ঘুমের কারণ, ঘুমের নির্দিষ্ট সময় এই বিষয়গুলো আমরা পূর্বে জেনেছি। এছাড়াও আমরা পূর্বে বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। এখন আমাদের জানা প্রয়োজন যে আমরা ঘুমাবো কোন সময়ে? সেটি জানার জন্য পড়তে থাকুন৷ আশা করছি উপকৃত হবেন।
প্রতিটি কাজের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। যেই সময়ে সেই কাজটি করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ঠিক তেমনি ঘুম আমাদের জন্য উপকারী হলেও কোন সময়ের ঘগম আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো? এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ৷
ঘুমানোর জন্য মানুষের প্রয়োজন একটি সুন্দর, স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশ। যেখানে থাকবেনা কোনো কোলাহল ও কোনো বিশৃঙ্খলা।প্রতিটি মানুষক ঘুমানো উচিত প্রতিদিন রাতে৷ কেননা রাত হয় কোমল, মনোরম ও ঘুমের পরিবেশের সাথে একদম মানানসই।
দিনের বেলায়ও ঘুমানো যায়, তবে সেটি দুপুরের দিকে এবং ২/১ ঘন্টার বেশি নয়। আর রাতের ঘুম মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। রাতের বেলা দ্রুত ঘুমাতে যাওয়া উচিত। এতে করে ঘুম সবচেয়ে ভালো হয় এবং শরীর ু মন ভালো থাকে।
শেষকথা
সুপ্রিয় পাঠক! আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষার দায়িত্ব আপনারই। আপনার নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে বেশি ঘুমালে যেসব হতে পারে এটি জানা খুবই প্রয়োজনীয়। আশা করছি আপনি এই বিষয়ে এখন থেকে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন এবং নিজেকে সুস্থ রাখবেন।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url