আমলকির গুনাগুন

আমলকির গুনাগুন সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। আপনি যদি আমলকি পছন্দ করে থাকেন বা অপছন্দ করে থাকেন তাহলে আপনাকে আমলকি এর গুনাগুন সম্পর্কে জানা জরুরি। আমলকির গুনাগুন সম্পর্কে জানতে হলে এই লেখাটি পড়তে থাকুন। 

আমলকির- গুনাগুন

আমলকি এমন একটি ফল যেটি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায় এবং যেটি শুকিয়ে গেলে পরবর্তীতে বীজ ও কাজে লাগে। আমলকি মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি এমন একটি ফল যার কোন অপকারই দিক নেই, যেটি সম্পূর্ণ গুণাগুনে ভর্তি। 

সূচিপত্রঃ আমলকির গুনাগুন

আমলকির গুনাগুন

আমলকি এমন একটি ফল যার গুনাগুন পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি। এটি শরীরের অনেক উপকার করে তাই এটিকে মাদার অফ ফ্রুট বলা হয়।। বিশ্বের বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য অনেক জায়গায় আমলকি গাছ পাওয়া যায়। 

আমলকি গাছ বেশ অনেক লম্বা হয়ে থাকে এবং এটির পাতা ঝরে। একটি আমলকি গাছ প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর বয়সে ফল দেয়। আমলকি গাছের চারা তৈরি হয় আমলকির বীজ দিয়ে। , আমলকি বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই পাওয়া যায়। আমলকির গুনাগুন অনেক বেশি।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আমলকি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া  ধ্বংসে সক্ষম। আমলকি মানুষের শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। এ ফলে গুনাগুন সবচেয়ে বেশি। এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

আমলকিতে থাকে ভিটামিন সি এবং এস করবিক এসিড। বিভিন্ন ধরনের রোগ সারাতে আমলকির ভূমিকা অপরিসীম। আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল মাত্রা কমাতে পারে। নিয়মিত আমলকি খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ কমানো যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসে। এছাড়াও আমলকি লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। 

আমলকি এমন একটি ফল যেটি আমাদের দেশের প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। এটির স্বাদ কিছুটা তিক্ত হওয়ায় মানুষ এটি সহজে খেতে চায় না। কিন্তু আমলকি খাওয়ার পরে পানি খেলে পানি খেতে অনেক মিষ্টি লাগে। আমলকি অগ্নাশয় এর ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। আমলকি খেলে জন্ডিস ভালো হয় এবং এটি লিভারের জন্য উপকারী।

আমলকি শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও এটি সাহায্য করে। আমলকির রস আলসার নিয়ন্ত্রণে ও সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও এটি হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্কের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল। এই ফলটি সর্দি কাশি দূর করতেও সাহায্য করে থাকে। এটি খেলে মানুষের দাঁত ও চুল ভালো থাকে ও মজবুত হয়। 

পৃথিবীর অন্যান্য অনেক ফলের তুলনায় আমলকিতে ভিটামিন সি এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। দিনে দুটো করে আমলকি খেলে ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে। সেই সাথে ত্বক সুন্দর হবে। আমলকি শুধু আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ আমলকি শুধু আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনীয় নয় বরং এটি আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য খুবই প্রয়োজন। আমলকি যেমন একদিকে আমাদের শরীরে অনেক রোগ প্রতিরোধ করে থাকে তেমনি এটি আমাদের ত্বকের এবং আমাদের চুলের যত্ন নিয়ে থাকে। 

আমলকির রস নিয়মিত তুলে দিলে চুল পড়া বন্ধ হয়, চুল মজবুত হয়, ঘন এবং কালো হয় সেই সাথে চুল পাকাও বন্ধ হয়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে আমলকির রস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে প্রতিরোধ পাওয়া যায়। একজন মানুষের দিনে অন্তত দুইটি করে আমলকি খাওয়া জরুরী। 

কাঁচা আমলকি খাওয়ার উপকারিতা

একটিমাত্র আমলকি! অথচ তাতেই নির্ভর করছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ। আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, একটিমাত্র ফল যেটি খেলে আপনি থাকবেন সবসময় সুস্থ এবং সুন্দর।কাঁচা আমলকি আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আমলকির গুনাগুন এত বেশি যে গুনে শেষ করা যাবে না।  

কাঁচা আমলকির রস প্রতিদিন সকালে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সকালে খালি পেটে আমলকি খেলে সর্দি কাশি তো দূর হয়ই সেই সাথে এটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের হাত থেকেও শরীরকে রক্ষা করে। আর কি কি কাজে লাগে আমলকি? 

প্রতিদিন নিয়ম করে কাঁচা আমলকি খেলে আমাদের ত্বক হবে সুন্দর এবং চুল হবে স্বাস্থ্যময়। আমলকি দিনের যেকোনো সময়ে খাওয়া যেতে পারে এটি সকালে খালি পেটে খেলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে নিরাময় পাওয়া যায়। আমলকির রস আমাদের শরীরের হজমে সাহায্য করে থাকে। । আমলকি চুলের খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে থাকে।

বাসে বা কোন গাড়িতে যাওয়া আসার সময় যদি বমি পায় তাহলে একটি আমলকি হতে পারে আপনার জীবন রক্ষাকারী সংগী । কারণ হলো এই আমলকি খেলে বমি হওয়া থেকে নিরাময় পাওয়া যায়। এটি খেলে শরীরের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় খেলে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

প্রতিদিন আমলকি খেলে কি হয়

শীতকাল হোক বা গরম কাল আমরা যেমন আমাদের শরীরে বাহ্যিক সৌন্দর্যের যত্ন নিয়ে থাকি, এমন তেমনি আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য এবং অভ্যন্তরীণ যত্ন। এর জন্য প্রয়োজন আমাদের পুষ্টিকর এবং ভিটামিন যুক্ত খাবার খাওয়া। এমতাবস্থায় আপনি যদি একটি আমলকির কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে এটি আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী হবে।

প্রতিদিন একটি আমলকি, বাঁচাতে পারে আপনার জীবন। আপনার শরীরের যে কোন কঠিন সমস্যা সমাধান করে দিতে পারে এই একটিমাত্র ফল। আপনি কি জানতে চান প্রতিদিন আমরা কি খেলে কি কি হতে পারে? আমলকির গুনাগুন কি কি রয়েছে?
 
আমলকি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল হওয়ায় এটি আমাদের শরীরের চুলের অনেক উপকার করে থাকে। প্রতিদিন আমলকি খেলে চুল ঘন, মজবুত এবং কালো হয়। আমাদের দেশের মহিলারা আমলকি বেটে রস করে সেটি চুলে লাগায়। আমলকী বেটে চুলে লাগালে মাথা ঠান্ডা হয় এবং ঘুম ভালো হয়। আপনি যদি আমলকি না খেয়ে থাকেন তাহলে আজ থেকেই প্রতিদিন একটি করে আমলকি খাওয়া শুরু করুন। 

আমলকি মূলত খুবই ছোট একটি ফল যেটি সুস্বাদু না হলেও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আমাদের শরীরের জন্য প্রতিদিন একটি করে আমলকি করে প্রয়োজনীয়। আমলকি শুধু কাঁচা অবস্থায় নয় বরং এটি আচার করে, চাটনি বানিয়ে ও খাওয়া যায়। এই অবস্থায় এটি খেতে অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে। প্রতিদিন আমলকি খেলে আমাদের শরীরে যেসব উপকার পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ 
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া
  • শরীরে হজম শক্তি বৃদ্ধি পাওয়া
  • ওজন কমাতে সাহায্য করা
  • ত্বককে সুন্দর করা
  • চুল শক্তিশালী করা
  • দাঁত কে মজবুত করা
  • চুল ঘন এবং কালো করা ইত্যাদি।
আমলকির- গুনাগুন

আমলকি খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

আমলকির গুনাগুনের কথা লিখে শেষ করা যাবে না। এটি যেমন কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায়, তেমনি এটি গুড়ো করে, শুকিয়ে এবং রস করেও খাওয়া যায়। যেভাবে খাওয়া হোক না কেন এর পুষ্টি গুনাগুন সবসময়ই পাওয়া যায়। 

আমলকি খাওয়ার আগে ভাবুন আমলকি কোন সময়ে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকারী? যে কোন সময় খেলে এটি থেকে কোন ক্ষতি হতে পারে কিনা? এটি কাঁচা চিবিয়ে খেলে বেশি উপকার নাকি রস করে গুঁড়ো করে খেলে বেশি উপকার? আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে। 

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যার কারণে এটি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া সবচেয়ে বেশি উপকারী। তবে অনেকেই আমলকি সিদ্ধ করে তারপরে খায়। যেমন আচার বানিয়ে অথবা চাটনি বানিয়ে। এইভাবে আমলকি খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু হলেও আমলকির ভিটামিন সি তাপে নষ্ট হয়ে যায় বা এর ভিটামিন সি কমে যায়।

কাঁচা আমলকি কেটে টুকরো করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। এর পরে সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। তাহলে দেখবেন ম্যাজিক! আপনার শরীর হয়ে উঠবে আরো শক্তিশালী । এছাড়াও অনেক সময় যখন কাঁচা আমলকি পাওয়া যায় না তখন আমলকির গুঁড়ো করে সংরক্ষণ করতে পারেন। এর ফলে সেই গুঁড়ো পরবর্তীতে পানির সাথে মিশিয়ে পান করতে পারবেন। এতে করে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। যদিও কাঁচা অবস্থায় এবং শুকনো করা অবস্থায় এর পুষ্টিগুন এক রকম হয় না। 

আমলকি নিয়মিত খেলে পেটের পিরা দূর হয় এবং এটি খাবার হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাকা ফাইবার শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। এটি আলসার প্রতিরোধেও কার্যকরী। এছাড়াও আমলকি মানুষের  চুল এবং দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি শিশুদের জন্য মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি বয়স্কদের জন্য উপকারী। এটি বয়স্ক লোকেদের চোখের ছানি পড়া দূর করতে সাহায্য করে। 

আমলকি নিয়মিত খেলে শরীরের ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হয়। সেই সাথে এটি মানুষের বয়স লুকাতে সাহায্য করে। এটি অ্যাজমা প্রতিরোধেও সাহায্য করে। 

প্রতিদিন কয়টা আমলকি খাওয়া উচিত

আপনি কি আমলকির গুনাগুন সম্পর্কে জানেন? যদি আমলকির গুনাগুন সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে আপনার এটাও জানা জরুরী যে আপনি প্রতিদিন কয়টি করে আমলকি খাবেন? প্রতিদিন একটি করে খাবেন? নাকি দশটি করে খাবেন? জানতে হলে পড়তে হবে-
 
আমলকি ছোট হলেও এর পুষ্টিগুণ সবচেয়ে বেশি। গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত আমলকি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আমলকি যেকোনো অবস্থায় খাওয়া যায়। এটি কাটা অবস্থায় এবং শুকনো অবস্থায় সবসময়ই কাজে দেয়। এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এটি আমাদের চুলের যত্ন নিয়ে থাকে। 

একজন মানুষ যদি প্রতিদিন আমলকি খায় তাহলে তার ডায়াবেটিস হবে না। তার দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পাবে। তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে প্রতিরোধ ক্ষমতা তো আছে। প্রতিটি মানুষের শরীরের জন্যই প্রতিদিন ভিটামিন সি গ্রহণ করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আপনার সেই প্রয়োজন টি মেটাতে পারেন এই ছোট্ট ফলটির মাধ্যমে। 

প্রতিদিন একটি অথবা দুটি করে আমরা কি খেলে শরীরে সবচেয়ে বেশি উপকার হয়ে থাকে। প্রতিদিন একটি ছোট আমলকি খেলেই আমাদের শরীরের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। আমলকি অন্যান্য টক ফল গুলোর চাইতে ভিটামিন সি আর দিচ্ছে সবচেয়ে বেশি উন্নত। প্রতিদিন সকালে কাঁচা আমলকি চিবিয়ে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার হয়। তবে এটির স্বাদ কিছুটা তিক্ত হওয়ায় অনেকেরই খেতে অসুবিধা হয়। তবে মধু মিশিয়ে খেলে স্বাদ পাওয়া যায়। 

রাতে আমলকি খেলে কি হয়

আমলকির গুনাগুন দিনে এবং রাতে সবসময়ই কার্যকর। একটি আমলকি পারে আপনার জীবনকে বদলে দিতে। আপনার প্রতিদিনের কার্যক্রমে একটি করে আমলকি খাওয়া অভ্যাস করুন, তারপর দেখুন কি হয়!

দিনে অথবা রাতে যে করে সময় আমলকি খেলে আমাদের শরীরের অনেক উপকার হয়ে। থাকে এটি আমাদের শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং আমাদের লিভার কে সুস্থ রাখে। সেই সাথে এটি আমাদের হৃদপিণ্ডকেও সচল রাখতে সাহায্য করে। আমলকিতে ভিটামিন সি থাকায় এটি আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিপূরণ করে। এটি আমাদের শরীরে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে থাকে। 
রাতের বেলা আমলকি খেলে শরীরে কোন সমস্যা দেখা যায় না। তবে অনেকের ক্ষেত্রে শরীরে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা যেতে পারে, যেহেতু এটি কিছুটা তিক্ত এবং টক জাতীয় ফল। তবে এটি সকালবেলা খালি পেটে খাওয়া সবচেয়ে বেশি উত্তম।

আমলকির- গুনাগুন


আমলকি দিয়ে ত্বকের যত্ন 

আমলকির যেমন রয়েছে অনেক ঔষধি গুনাগুন তেমনি এটি আমাদের শরীরের ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। নিয়মিত আমলকি খেলে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এটি আমাদের শরীরকে সুন্দরভাবে গঠন করতে সাহায্য করে। 

আমলকি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ত্বকের যত্ন করা যায়। এটি আমাদের চুলের যত্নে সবচেয়ে বেশি উপকারী। আমলকির রস আমাদের চুলকে করে মজবুত ঘন এবং সুন্দর। কাঁচা আমলকি বেটে মাথায় লাগালে চুলের খুশকি দূর হয়, চুল ঘন হয়, চুল পড়া রোধ হয়, সেই সাথে চুল কালো করতে সাহায্য করে। আমলকির গুঁড়ো পানিতে ভিজিয়ে সেটি মাথায় লাগালে একই রকম উপকারিতা পাওয়া যায়। 

শেষ কথা

আমলকি খুবই পুষ্টিগুণামূল্য সমৃদ্ধ একটি ফল, যেটি সবচেয়ে বেশি অবহেলিত এবং সহজলভ্য। এটি আমাদের শিশুদের মানসিক বিকাশে যেমন সাহায্য করে তেমনি শারীরিক গঠনেও সাহায্য করে। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেরই উচিত প্রতিদিন একটি করে হলেও আমলকি খাওয়া। 

আমলকি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি করে তেমনি এটি আমাদের শরীরের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। তাই আমলকি কি আর অবহেলা নয়! আজ থেকেই শুরু করুন প্রতিদিন দুইটি করে অথবা একটি করে আমলকি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করে তোলা। 

আমাদের পরিবেশের সহজলভ্য জিনিসগুলো গুরুত্ব দিতে শিখুন এবং শরীরকে সুস্থ রাখুন। সেই সাথে মনকে রাখুন সুন্দর। শেষকথা হলো এই যে, আমাদের পরিবেশে পাওয়া এই ছোট্ট ফল আমলকির গুনাগুন এত বেশি যে এটিকে অবহেলা করা উচিত নয়। আজ থেকে পরিবারের সকলকে নিয়ে শুরু করুন প্রতিদিন আমলকি খাওয়ার সুন্দর একটি অভ্যাস। নিজের সুস্থ থাকুন এবং অপরকেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করুন। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abir Hossain
Md. Abir Hossain
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির সিনিয়র সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।